Heartbeats of life

when are you no exist in nearest people’s.

that’s for,when you had got time.

you didn’t wanted meet with them.

you’ll meet with them because of, rules of this realty.

wisely thinking,

you’ll never leave in this world in your wish.

Allah knows everything.

May be this though makes our living hopes.

Advertisements

Time..!

#time..
One year ago,

I was

an active

employed of concern.
After one year,

I’m a unemployed.

Oops..

Allah.

It’s called life…!

Stay positive

THAT “STAY POSITVE” MANTRA IS CUTE BUT IT AINT REALISTIC.

CONSTANT POSITIVITY IS A FORM OF AVOIDANCE, AND NOT A VALID SOLUTION TO YOUR PROBLEMS.

SOMETIMES LIFE IS FUCKED UP, AND THE HEALTHIEST THING YO ASS COULD DO IS ADMIT IT

Little tikes

when ur bored with life but too depressed to do anything about it..

The following contain sensitive material of happiness.

poetry of life recall

Grave,

Poet- Jasimuddin,
In this place your grandmother’s graves are under the pomegranate tree,
For thirty years, I have kept two nights in water.
That’s why the house is like a golden face,
The wedding of the doll broke down and cried because of the crying book.
Here I would have thought about returning to Sarah,
Whole house filled so much gold!
Sonali Usha’s Sonamukh filled his eyes
Till the time taken to take the plow and fell on the road.
When I went back to the back and saw how much I could see
In this matter, we thought that Sob Mora jokes hundreds of people.
By doing so I do not know when I get involved with life
Small laughter is lost in the pain of his laughter, and the geneu deshite.

Took the time to go to his father’s house
Go to see me but the upstairs gaon
In the Shapler Gate, the watermelon bacchi two paisa do deari,
It was never too late to get the necklace of beads.
Take one and a half paisa with tobacco and purpura,
I used to walk in the evening of the in-laws house!
Hesse – Hess not- Listen to grandfather, getting the tobacco pots,
Grandma, if you want to see how happy you are!
Noth snatched and smiled, after so many days,
I woke my head over the way I wore my head.
How much pain can I get from leaving me,
In the grave country, there are nijazheh niralaya!
Folded hands, prayed mana Grandpa, God returns! Merciful
On my grandmother’s side, I was confused.

Then we spend as much as we can in this empty life
Where we got caught, we have gone.
Hundred camels, hundreds of dead grave drawings,
Ganiya Ganiya wrongly lit up gaani all day long.
It is very difficult to hold the skeleton in the soil,
How many Sonamukh Nawaaya tears in the eyes of my eyes
The big love that I have on earth,
Income-earning grandfather, if you are happy to cry.

Here your father sleeps, here your mother,
You cry? What do you do grandfather Parana does not mean that.
The father came to you and asked me to call me,
Do you know what my body is doing today.
On the floor of the house, I told the son,
Anyone know what that dawn will be in his last sleep?
I used to go to Tarah while wearing grazing clothes,
Where do you say or do you know where to go grandfather?
The talk stopped in response to your words,
All the languages of the world have cried crying back!

Grab your father’s thong-yoke tied in two hands,
How many tears filled your mother in the whole day.
The leaves of the trees fall on the path of the pain,
Falguni wind is heard crying-filled with fenugreek.
Going by the way, the gynecologists were wiping the eyes,
They mourn the weeping tree leaves.
Two yoan bulls on the ground, on the ground,
Homba Rabate is not soaked in the water.
The throat of your mother weeps over them,
All the gowns sinking the tears of the tears of the water.

Understanding the water of the rural-child’s eyes,
Khushi found the way home from the grave country
So, in the first instance of life,
Oh, unfortunate, you are dead-poisonous crown.
In the time of his death, he said to you, go to bed,
Big pain Rachel, there is no one in your mother’s name on earth;
Dulal is mine, my magic, my lucky charm,
How much pain, I know that you go out of the room.
Two drops of droplets in the droplets of moisture-water,
What do you know about your death and pain?

After a long time, calling in Moray said, ‘I buried my grave
Let the husband’s head hang out in the headlong.
That mathal patch is mixed with soil,
The pain of the pain is not dead, the one who wears, the moment is crying.
The padders are sleeping here, the shadows,
The branches of the tree have fallen into love with love.
Zokki-girls wake the lights awake,
Sleeping anklet is very good at the base of the sleeping
Folded hands, prayed mana Grandpa, Baby Jesus! Income;
Bheesh nasib koho azyi my father and mai!

Here is your burial grave, daughter like a lady,
They got married in the house of Qin’s house.
They do not love them so much,
Though not in the hand, the strings of the strings of the strings of the beetle hundred
After the news, Grandfather came to the dawn
Two days into the home of Father’s house.
The father-in-law, his thighs, did not want to leave
A lot of sahai tehare tahayera service in one winter.
The smell is not as soft as it is,
Black eyes and tears are rising in the eyes.
Sitting in the grave of the mother of my father,
Who knows, the winnings of the death of the winner!
What do you know is that there is a strong fever and it does not rise back,
Here’s the burying of your grandfather! Slowly

Patients do not live in the misery, no one is good,
In the grave, wild grasses are black and black.
Ohhhhhhhhhh ohhhhhhhhhhhhhh

কবর

– জসীমউদ্দীন
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা!
সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি
লাঙল লইয়া খেতে ছুটিলাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।
যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে তামাশা করিত শত।
এমনি করিয়া জানি না কখন জীবনের সাথে মিশে
ছোট-খাট তার হাসি ব্যথা মাঝে হারা হয়ে গেনু দিশে।

বাপের বাড়িতে যাইবার কাল কহিত ধরিয়া পা
আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ।
শাপলার হাটে তরমুজ বেচি দু’পয়সা করি দেড়ী,
পুঁতির মালার একছড়া নিতে কখনও হত না দেরি।
দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন লইয়া গাঁটে,
সন্ধাবেলায় ছুটে যাইতাম শ্বশুরবাড়ির বাটে!
হেস না- হেস না- শোন দাদু, সেই তামাক মাজন পেয়ে,
দাদি যে তোমার কত খুশি হত দেখিতিস যদি চেয়ে!
নথ নেড়ে নেড়ে কহিত হাসিয়া, এতদিন পরে এলে,
পথ পানে চেয়ে আমি যে হেথায় কেঁদে মরি আঁখিজলে।
আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়,
কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝঝুম নিরালায়!
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, আয় খোদা!দয়াময়,
আমার দাদীর তরেতে যেন গো ভেস্ত নসিব হয়।

তারপর এই শূন্য জীবনে যত কাটিয়াছি পাড়ি
যেখানে যাহারে জড়ায়ে ধরেছি সেই চলে গেছে ছাড়ি।
শত কাফনের, শত কবরের অঙ্ক হৃদয়ে আঁকি,
গণিয়া গণিয়া ভুল করে গণি সারা দিনরাত জাগি।
এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে,
গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।
মাটিরে আমি যে বড় ভালবাসি, মাটিতে মিশায়ে বুক,
আয়-আয় দাদু, গলাগলি ধরি কেঁদে যদি হয় সুখ।

এইখানে তোর বাপজি ঘুমায়, এইখানে তোর মা,
কাঁদছিস তুই?কী করিব দাদু!পরাণ যে মানে না।
সেই ফালগুনে বাপ তোর এসে কহিল আমারে ডাকি,
বা-জান, আমার শরীর আজিকে কী যে করে থাকি থাকি।
ঘরের মেঝেতে সপটি বিছায়ে কহিলাম বাছা শোও,
সেই শোওয়া তার শেষ শোওয়া হবে তাহা কী জানিত কেউ?
গোরের কাফনে সাজায়ে তাহারে চলিলাম যবে বয়ে,
তুমি যে কহিলা বা-জানরে মোর কোথা যাও দাদু লয়ে?
তোমার কথার উত্তর দিতে কথা থেমে গেল মুখে,
সারা দুনিয়ার যত ভাষা আছে কেঁদে ফিরে গেল দুখে!

তোমার বাপের লাঙল-জোয়াল দুহাতে জঢ়ায়ে ধরি,
তোমার মায়ে যে কতই কাঁদিতে সারা দিনমান ভরি।
গাছের পাতার সেই বেদনায় বুনো পথে যেতো ঝরে,
ফালগুনী হাওয়া কাঁদিয়া উঠিত শুনো-মাঠখানি ভরে।
পথ দিয়া যেতে গেঁয়ো পথিকেরা মুছিয়া যাইত চোখ,
চরণে তাদের কাঁদিয়া উঠিত গাছের পাতার শোক।
আথালে দুইটি জোয়ান বলদ সারা মাঠ পানে চাহি,
হাম্বা রবেতে বুক ফাটাইত নয়নের জলে নাহি।
গলাটি তাদের জড়ায়ে ধরিয়া কাঁদিত তোমার মা,
চোখের জলের গহীন সায়রে ডুবায়ে সকল গাঁ।

ঊদাসিনী সেই পল্লী-বালার নয়নের জল বুঝি,
কবর দেশের আন্ধারে ঘরে পথ পেয়েছিল খুজি।
তাই জীবনের প্রথম বেলায় ডাকিয়া আনিল সাঁঝ,
হায় অভাগিনী আপনি পরিল মরণ-বিষের তাজ।
মরিবার কালে তোরে কাছে ডেকে কহিল, বাছারে যাই,
বড় ব্যথা র’ল, দুনিয়াতে তোর মা বলিতে কেহ নাই;
দুলাল আমার, যাদুরে আমার, লক্ষী আমার ওরে,
কত ব্যথা মোর আমি জানি বাছা ছাড়িয়া যাইতে তোরে।
ফোঁটায় ফোঁটায় দুইটি গন্ড ভিজায়ে নয়ন-জলে,
কী জানি আশিস করে গেল তোরে মরণ-ব্যথার ছলে।

ক্ষণপরে মোরে ডাকিয়া কহিল- আমার কবর গায়
স্বামীর মাথার মাথালখানিরে ঝুলাইয়া দিও বায়।
সেই যে মাথাল পচিয়া গলিয়া মিশেছে মাটির সনে,
পরাণের ব্যথা মরে নাকো সে যে কেঁদে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে।
জোড়মানিকেরা ঘুমায়ে রয়েছে এইখানে তরু-ছায়,
গাছের শাখারা স্নেহের মায়ায় লুটায়ে পড়েছে গায়।
জোনকি-মেয়েরা সারারাত জাগি জ্বালাইয়া দেয় আলো,
ঝিঁঝিরা বাজায় ঘুমের নূপুর কত যেন বেসে ভালো।
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, রহমান খোদা!আয়;
ভেস্ত নসিব করিও আজিকে আমার বাপ ও মায়!

এখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে,
বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।
এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালবাসিত না মোটে,
হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।
খবরের পর খবর পাঠাত, দাদু যেন কাল এসে
দুদিনের তরে নিয়ে যায় মোরে বাপের বাড়ির দেশে।
শ্বশুর তাহার কশাই চামার, চাহে কি ছাড়িয়া দিতে
অনেক কহিয়া সেবার তাহারে আনিলাম এক শীতে।
সেই সোনামুখ মলিন হয়েছে ফোটে না সেথায় হাসি,
কালো দুটি চোখে রহিয়া রহিয়া অশ্রু উঠিছে ভাসি।
বাপের মায়ের কবরে বসিয়া কাঁদিয়া কাটাত দিন,
কে জানিত হায়, তাহারও পরাণে বাজিবে মরণ-বীণ!
কী জানি পচানো জ্বরেতে ধরিল আর উঠিল না ফিরে,
এইখানে তারে কবর দিয়েছি দেখে যাও দাদু!ধীরে।

ব্যথাতুরা সেই হতভাগিনীরে বাসে নাই কেহ ভালো,
কবরে তাহার জড়ায়ে রয়েছে বুনো ঘাসগুলি কালো।
বনের ঘুঘুরা উহু উহু করি কেঁদে মরে রাত.

Happening

Déjà vu occurs when your brain tries to apply a memory of a past situation to your current one, fails, and makes you feel like it’s happened.

Create a free website or blog at WordPress.com.

Up ↑