একগুয়ে বেয়াদব ছেলেদের ভালোবাসতে নেই

যে ছেলে গুলো খুব কেয়ার করে, হাতের চুড়ির, কানের দুলের রং মনে রাখে, কলা পাতার শাড়ির নাকি মেরুন কালার ব্লাউজ তার প্রশংসা করতে ভুলে না, ফোন দিতে দেরী হলে রেগে যায়, আবার নিজেই রাগ ভাঙ্গায়।

এইসব ছেলেদের সহজে ভালোবাসা যায়, প্রেমে পড়া যায়, মনে দ্রুত জায়গা করে দেওয়া যায়।

হাত টা সহজে ধরা যায়, এদের সাথে খুব দ্রুত মন ছাড়িয়ে শরীর ছোঁয়া যাই। এরা ছুঁয়ে যায়। এদের দেওয়া কষ্ট গুলো খুব লাগে। ভেঙ্গে চুরমার করে। কিন্তু আবার কাটিয়ে উঠে পা বাাড়ানো যাই।

কখনো এক রোখা, ঘাড় ত্যাড়া, বেয়াদব ছেলে গুলো কে ভালোবেসে দেখেছো? এরা মোট কথায় তোমাকে দেখবেই না। ঘন্টার পর ঘন্টা তাকিয়ে থাকার প্রশ্নই আসে না। কিন্তু তোমার চুড়ি আর দুল কেন এরা হাটতে হাটতে একটু শাড়ি উচু হয়ে দেখা যাওয়া পেটিকোট ও মনে রাখবে।

তুমি হয় একবার ব্যাগ খুলেছিলে তখন সে ফোনে মগ্ন ছিলে। কিন্তু বলতে পারবে কয়টা খুচরো আছে, যাওয়ার রিকশা ভাড়াটা আছে কিনা।এদের সাথে রাগ করা মানে তার দায়ভার আবার নিজের গায়েই চাপানো। কারণ একরোগা ছেলেরা রাগ ভাঙ্গায় না, তেমনি সহজে রাগ ও করে না।

তুমিই বিরক্ত হয়ে যাবে, রাগ কেন করে না? ঝগড়া কেন লাগায় না? আমার মান কেন ভাঙ্গায় না? ঘাড় ত্যাড়া ছেলে গুলো লুতুপুতু প্রেমের গল্প বলে না। রাগ জেগে কথা বলবে তবে রাত বাড়লে তা শীররে পৌঁছায় না। যদি এদের বলা হয় তুমি আমায় একটু ভালোবাসো না, সে বুঝাতে আসবে না কতটা ভালোবাসে, সে বলবে -তাইলে ঘুমাও। এরা তোমার মা বাবা চৌদ্দগুষ্টি কেমন আছে কেমন নেই কি করে জিজ্ঞেস করবে না। কিন্তু কখনো কারো বাসায় গিয়ে ছোট মাসি শাশুড়ীর মোবাইল থেকে কখনো ফোন দিলেও তার নাম্বার রেখে দিবে।

এই ছেলে গুলো ভীষণ নাছোড়বান্দা হয়। তবে কখনো তোমাকে বিরক্ত করবে না। এরা কখনোই বলে না, পাসওর্য়াড দাও, এর সাথে কথা বলো না, ওকে ব্লক দাও, এই ড্রেস টা পড়বে না। বেড়াতে যাবে না। কাল দেখা করতেই হবে। এইভাবে কখনোই জ্বালাবে না। এরা বলে চুল কেটো না, নক রেখো না, লাল লিপস্টিক টা একদম দিবে না। এরা হয়ত বায়না ধরে একবার শাড়ি পড়ে দেখা কর। এর বেশি তেমন কিছুই না।

এদের এই জ্বালা গুলো বুঝতে হলে তোমাকে তাকে ভালোবাসতে হবে। ভীষণ রকম ভালোবাসতে হবে। এদেরও রাগ হয়, কিন্তু তার প্রকাশ টা ধরতে গেলে তোমাকে তাকে তার চেয়েও বেশি চিনতে হবে। এরা রেগে গেলে চিল্লায় না, কিংবা কথা বন্ধ করে না। এমন ঠান্ডা গলায় ভালোবাসি বলবে যেন তোমায় এখন কোন গিরিখাত টেনে নিলো নিচে। এই রাগ গুলো ভয়াবহ হয়, কিছু না বলে কিছু না করেই তোমার সারা শরীর জ্বালিয়ে মারবে। ভীষণ কষ্ট হবে।এই ছেলে গুলোর ভালোবাসায় না কোন পিঞ্জর থাকে, না আকাশে বিস্তৃত থাকে।

শুধু এদের চিন্তাভাবনার চারিপাশ জুড়ে থাকে। সে থাক না থাক ভালোবাসার রেশ রয়ে যায় আজীবন। এদের কে তুমি ছেড়ে যেতে পারবে না। তুমি ভয় পাবে এই না ছেড়ে যায় তোমার। ব্যাপারটা অদ্ভুত রকম সত্য যে এরা কখনোই তোমায় ছেড়ে যাবে না। তোমার ভয় টাও আবার দূর করবে না। ওটা তোমার বিশ্বাসেই তোমাকে দূর করতে হবে। এদের জীবন তোমার অস্তিত্ব নিয়ে বার বার তুমি প্রশ্ন তুলবে। এরা বুঝাবে না। এদের জীবন তোমার অস্তিত্ব যে কত টা জুড়ে তা তোমাকে তোমার বিশ্বাসে খুঁজে নিতে হবে।

যেদিন পেয়ে যাবে সেদিন তার জীবনে সে অস্তিত্বের পরিধিতে নিজেকেই ক্ষুদ্র মনে হবে তোমার।তোমার ভুল গুলো এরা হেসে উড়িয়ে দিবে, তোমার অপরাধ এরা সহজে ক্ষমা করে দিবে, তোমার প্রতরণায় এরা একটুও ভেঙ্গে যাবে না। বলবেও না প্লিজ আর করো না। শুধু বলবে, আচ্ছা ঠিক আছে। তুমি ভাববে তোমার কিছুতেই তার কিছু এসে যায় না। কিন্তু যদি তুমি সে নিস্পৃহতা বুঝতে পারো তুমি কল্পনাও করতে পারবে না কি তপ্ত আগ্নেয়গিরি তারা বুকে পুষে রেখেছে। তার এক কণা ও যদি তোমার নিশ্বাস ছুয়ে যায় তুমি আজীবন জ্বলতে থাকবে।

কিন্তু তুমি বুঝবে না। এদের সবাই বুঝে না। এদের রাগ অভিমানের মতো এদের ভালোবাসা বুঝতে গেলে তোমাকে তাকে তার চেয়েও বেশি রকম ভালোবাসতে হবে। তোমায় জানতে হবে তার রন্ধ্রে রন্ধ্রে তোমার অস্তিত্ব। এইসব ছেলে গুলো ভীষণ রকম একগুয়ে হয়। তাদের ভালোবাসা গুলো বেপরোয়া হয়, তাদের পাগলামি লাগাম ছাড়া হয়। তোমাকে হারতে হবে বার বার।এরা কখনো তোমার পথ আটকায় না, এরা কি রকম নিষ্ঠুর উদাস শূন্য চোখে তোমার চলে যাওয়া দেখবে তুমি আৎকে উঠবে। এরা কখনো জানাতে আসবে না কতটা এখনো মিস করে তোমায়, কি যন্ত্রনায় বিশাল কোলাহলে তোমায় একামনে ভাবতে পারে, ঢেউয়ের বাতাসে কি পরিমাণ হু হু করে উঠে কামড়ে ধরে এদের। তোমাকে ভালোবাসার জন্য এদের তোমাকে লাগে না।

ভালোবেসে যেতে পারে বাসের ভীড়ে একটু জায়গা পেয়ে জানলার সিটে বসে বাইরে একটু লাগা বাতাসের সাথে। ভালোবেসে যেতে পারে তোমাকে দেখে পাশ কাটিয়ে গিয়েও। এরা কোন কষ্ট করে না একটা সর্ম্পক বাঁচিয়ে রাখতে, কিন্তু কি অদ্ভুত কষ্ট জমিয়ে রাখে তা শুধু যখন পূর্ণতা পাবে সে সুখের বৃষ্টিতে খুঁজে নিতে পারবে।এরা অদ্ভুত রকম ভালোবাসতে পারার ক্ষমতা রাখলেও এদের ভালোবাসার পূর্ণ হওয়ার কৌটা বরাবর শূন্য থাকে৷এরা কখনো দোহায় দেয় না, কোন প্রমাণ দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে না, এরা কখনো আটকে দাঁড়িয়ে রবে না।

তুমিই বিরক্ত হবে, ভাববে তার কাছে তোমার চলে যাওয়া কোন কিছুই না। কিন্তু যদি সে পাশে সরে দাঁড়ানো বুঝতে চাও তাহলে পাশে দাঁড়িয়ে হাতটা ধরতে হবে। কি মায়া আছে তাতে। যদি তাও চলে যাও। এরা ফিরেও তাকায় না। এদের দেওয়া কষ্ট গুলো খুব বেশি লাগে না। শুধু পাথর চাপা পড়ে সব। এদের ভুলা যাবে না। এগিয়ে যাবে হয়ত কিন্তু ওখানেই ঘুড়পাক খাবে আজীবন। এদের ভালোবাসলে খুব প্যারা।

মন জুড়ে এমন অস্তিত্ব করে নেবে তুমি নৈমত্তিক কাজের ব্যস্ততায় ধুলো ফেলতে পারবে, মুছবে পারবে না।এদের ভালোবাসে আটকে রাখা খুব কঠিন মনে হয়। মনে হয় কি কুক্ষনেই না ভালোবেসেছি।

কিন্তু এদের ভালোবাসা পাওয়া টা ভাগ্যের ব্যাপার।

খুব কম ভাগ্যবতী মেয়ে এইরকম একগুঁয়ে, ঘাড় ত্যাড়া, বেয়াদব ছেলেটার ভালোবাসা হতে পারে।

সংকলিত গল্প

Featured post

Sunday

On a sad Sunday with a hundred white flowers,
I was waiting for you, my dear, with a church prayer,
That dream-chasing Sunday morning,
The chariot of my sadness returned without you.

Ever since then, Sundays are always sad,
tears are my drink, and sorrow is my bread…
Sad Sunday. Last Sunday, my dear,
please come along.

There will even be priest, coffin, catafalque, hearse-cloth.
Even then flowers will be awaiting you, flowers and coffin.
Under blossoming (flowering in Hungarian) trees
my journey shall be the last.

My eyes will be open,
so that I can see you one more time,
Do not be afraid of my eyes
as I am blessing you even in my death

Comin Suday… Last Sunday.

ব্যর্থ মানুষ, Failure people

আমি এক ব্যর্থ মানুষ,
বন্য কুকুরের মতো মাঝরাতে চিৎকার করতে চেয়েছি,
যখন আয়েশে ঘুমাও তোমরা,
আড়মোড়া দিয়ে হাই তোলে লক্ষ টাকার সেগুনের খাট,
আয়েশী শ্বাস প্রশ্বাস পেন্ডুলামের মতো নড়ে ডানে বায়ে,
ধীর তালে, তোমরা ঘুমিয়ে পড়, পাশে প্রেয়সীও দোলে,
বিজ্ঞাপনের মতো! আমি অকারণে চেঁচাতে চেয়েছি,
দাঁতাল শুয়োরের মতো, হিংস্র নেকড়ের মতো,
না হলেও পাশের ডাস্টবিনে কুন্ডলী করে শুয়ে থাকা,
অতি সাধারণ কুকুরটার মতো,
ইচ্ছামতো গলা ছেড়ে উন্মত্তভাবে চেঁচাতে চেয়েছি,
কখনো পারিনি! ব্যর্থ আমি, কখনো পারিনি!
চলে যাচ্ছি আজ তাই আত্মাকে কালো স্যুটকেসে ভরে,
এই দুঃখ নিয়ে! বকে যাচ্ছি ব্যর্থতার প্রলাপ!

ব্যর্থ আমি, পোড়া অরণ্যে আধাপোড়া ক্যঙ্গারুর আর্তনাদ,
বেবুনের বাঁচার আকুতি,
শুনেও শহর যখন ব্যস্ত চায়ের কাঁপে সিগারেটের ধোঁয়ায়,
পাওয়ার পয়েন্টে প্রেজেন্টেশনে, সব মশগুল নিজেদের কাজে!
আমদানি রফতানির পারদের সাথে সভ্যতার হার্টবিট,
বাড়ে আর কমে, তার সাথে হাসে আর কাঁদে রোবটের মতো,
কোম্পানি ম্যানেজার, টিভির সংবাদ!  
সন্ধ্যায় ডেবিট কার্ডের শূন্য ব্যালেন্স হো হো করে হেসে দিলে,
ভবঘুরের মতো পণ্যের ফাঁকে আমাকে ঘুরতে দেখে,
ঠোঁট চেপে হাসে সুন্দরী সেলসগার্ল, অবজ্ঞা চোখের কোণায়,
ইচ্ছে হয় কন্টেইনার জাহাজে ভরে ভয় কিনে আনি,
না খেয়ে থাকার ভয়, সর্বস্ব হারানোর ভয়, অনিশ্চয়তার ভয়!
একদিন ভয়ের জলে স্নান করুক এই শহর, শুধু একদিন,
ভেসে যাক ভয়ে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, বহু লাভ ক্ষতির দফতর!
বিষাক্ত শংখচূড়ের মতো ভয়,
মাত্র কয়েক সেকেন্ড আস্টেপৃষ্টে ধরুক তোমাদের!
পারিনি সেই ভয়কেও কিনতে, ভয়ের ও মূল্য আছে, দুর্লভ অতি,
আমার ডেবিট ক্রেডিট সব শূন্যের খাতায়,
ব্যর্থ আমি, করছি অনবরত এক অর্থহীন জীবনের অপচয়!
    
ব্যর্থ আমি, কোরাল সাপের মতো কারুকাজময় নদীতে,
জলের আলোয় দুজন মিলে ভোরের সূর্য ছেঁকে তুলিনি,
তোমায় নিয়ে ভেসে গেলো জোয়ারের জল,
থামাতে পারিনি!
টেনে নিলো উত্তপ্ত উত্তাল! পেরিয়ে উত্তামাশা আরো দূরে,
অনেক হাঙ্গর, করাতের মতো স্রোতে ক্ষুরধার দাঁত,
এখন দেখায় তোমাকে ভয়; আমিতো থামাতে পারিনি!

তাজা পদ্ম হাতে দিয়েও সাহস করে প্রেমিকা বলিনি,
দিন বছরের হিসাব শেষেও ব্যর্থ এই মন ভুলতে পারেনি!
নিঃসঙ্গ নাবিক আটকা পড়েছি শংখমালার দুঃখ সাগরে,
হাতের চামড়া ছিঁড়ে দ্গদগে লাল দাগ, শুধু ভাবি-
যে আকাশ তোমাকে দিয়েছি তোমারই তা থাক!
জোছনার জলে ব্যর্থতা আমাকেই ফেলুক ছিঁড়ে,
ভিজে যাওয়া পেপারের মতোন, ব্যর্থ আমি ভাগীরথী তীরে,
অভিশাপের শরশয্যা ভীষ্মই পাক!  
হাতে পড়ে আছি দাসত্বের শৃঙ্খল,
জানি আমৃত্যু কাটবে জীবন অমাবস্যার ঘোরে!

men’s daily life

“As a girl” you think you are very dependent.

How difficult it is to understand the reality of being born a boy!

If a boy If you can’t make income.

he has no place in the world !

সংস্কৃতির

সংস্কৃতি আসলে পরিবর্তনশীল। আজ থেকে ১০০- ১৫০ বছর আগে বাঙালি মেয়েরা শাড়ি পরিধান করতো না কিন্তু এখন শাড়ি আমাদের সংস্কৃতির অংশ। থ্রি-পিচ আমাদের নারীরা পরিধান করতো না; এটি উত্তর প্রদেশ থেকে আমাদের কাছে এসেছে এবং সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। তেমনি বোরকা এবং হিজাব মুসলিম হওয়ার কারণে আমাদের সংস্কৃতির অংশে পরিণত হয়েছে। অত এব কেউ যদি টিপ এবং বোরকা, হিজাব পরিধান করে তাহলে তাকে বাধা প্রদান করা যাবে না। তিনি আরও বলেন পশ্চিমারা নিজেরা লিবারেল তকমা গায়ে লাগালেও তারা মুসলিম নারীদের বোরকা এবং হিজাবের ব্যাপারে দ্বিচারিতা প্রদর্শন করেন। উদাহরণ হিসাবে তিনি ফ্রান্স এবং জার্মানির এরকম বর্ণবাদী আচরণের কথা স্পষ্ট করে বলেছেন। অন্যদিকে দুর্ভিক্ষের বিষয়ে তিনি বলেছেন — দুর্ভিক্ষ হলো কোন মানুষের অর্জিত আয় দিয়ে যখন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের চাহিদা মিটানো সম্ভব না হয়। দুর্ভিক্ষের অর্থ শুধু এই নয় যে, খাবারের অভাবে মানুষের পরলোকগমন ঘটা। তিনি সঞ্চালকের বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় মন্ডল বিষয়ক প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, এর আসল কারণ হলো সামাজিক এবং রাজনৈতিক। তিনি বিজ্ঞান এবং ধর্মের বিষয়ে বলেছেন, কিছু লোক আছে যারা ধর্মকে অস্বীকার করে আবার কিছু লোক আছে যারা বিজ্ঞান কে অস্বীকার করে। তিনি বলেন, আমাদেরকে বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা জানতে হবে এবং সে অনুযায়ী সমাজে ব্যবহার করতে হবে। অপরদিকে বিজ্ঞানের প্রয়োজন আছে ; তেমনি সমাজে ধর্মের ও প্রয়োজন আছে। তার একটি উক্তি ঃ ” আপনি কার্পেটের নিচে কিছু লুকানোর চেষ্টা করছেন,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

ভালোবাসা সুন্দর পবিত্র

তুমি দশটা মেয়ের সাথে বিছানায় যাবার পরে, তুমি দশটা মেয়েকে ছুঁয়ে দেবার পরে আবিষ্কার করবে যৌনতা দিয়ে জীবন পরিমাপ করা যায় না। দশটা মেয়ের সাথে সঙ্গম করার পর আবিষ্কার করবে এখানে পার্থক্য নেই কোনো। দশটা মেয়ের গায়ের রং আলাদা হবে। শারীরিক গঠন আলাদারকম হবে তবে যখন তোমরা সঙ্গমে লিপ্ত তখন দেখবা সবই সমান।

একটা বয়সের পর জীবনে চামড়া ইফেক্ট ফেলেনা। একটা বয়সের পর প্রেমিক হয়ে ওঠা হয়না। একটা বয়সের পর কামনা গর্জে ওঠেনা। সেখানে সাদা চামড়ার সাথে গোটাজীবন কাটিয়ে দেবার স্বপ্ন বুনলেও দেখা যায় যে চামড়ায় ভাঁজ পড়ে। রুক্ষ মলিন মুখে সৌন্দর্যের বড়ো অভাব। হাসিতে প্রাণ নেই। চোখে মায়া নেই। কুচকুচে ঘনকালো চুলগুলো সাদাটে হয়ে যাচ্ছে।

যদি ভালবাসা শরীর কেন্দ্রীক হয়। যদিও বাংলার প্রায় সব মেয়ের ধারণা সে আমার শরীর ভালবাসে তাদেরকে আজকে আমি বোঝাবো সো কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়বা। ভালোবাসা যদি শরীর কেন্দ্রীক হয় তবে আমি পূর্বে বলেছি দশটা মেয়ে একটা ছেলেকে সেইম সুখ দিতে পারে। পুরুষের সুখ হচ্ছে বীর্যপাতে তা হোক কমোডে বা গর্ভাশয়ে। সো তুমি কিভাবে নিশ্চিত তুমিই তার সুখের একমাত্র কারণ? তোমার নাগর কালো চেহারার একটা মেয়ের সাথে শুয়েও সেইম সুখ গ্রহণ করতে পারে

যেই মেয়ের দুইটা হাত নেই। অন্ধ বা কালা অথবা প্রতিবন্ধী সেই মেয়েটাও একটা ছেলেকে সুখ দেবার যোগ্যতা রাখে। মানে তোমার কাছে যেই শরীর আছে সেই সেইম শরীর আর রিপিট সেই সেইম শরীর একটা অন্ধ মেয়ের কাছেও আছে।

তাহলে তোমার নাগর এত মেয়ে রেখে তোমার কাছে কেন এসছে? তুমি কি ভাবছো তুমি সুন্দরি তাই? ধুর বোকা, এই যুগে সুন্দরি মেয়ের অভাব? কয়টা সুন্দর মেয়ে দেখবা তুমি? তোমার চেয়েও ঢের সুন্দর মেয়ে আছে এই যুগে।

তাহলে ছেলেটা কেনো আসছে তোমার কাছে? আগেই প্রমাণ করেছি ওমন দেহ পাঁড়ার মেয়েও দিতে পারে। ওমন চেহারা পাঁড়ার মেয়েরও আছে।

তোমার কাছে আসার কারণ তোমার দেহ না রে বোকা। যদি শরীর একমাত্র কারণ হয় তবে বিবাহিত জীবন এত সুখের কেন হয়? কারণ ওই মেয়ের সাথে বিয়ের আগেও শুয়েছে ছেলেটা।

ভালোবাসা হচ্ছে মনের একটা ব্যাপার। অনুভূতির একটা ব্যাপার। তোমার যাকে ভাল লাগে। যাকে দেখলে বুক ধুকপুক করে শিহরণ খেলা করে যার সাথে থাকলে তুমি ভালো থাকো। যেখানে থাকলে তোমার মন শান্ত হয়।

একটা বয়সের পর যখন চামড়ায় ভাঁজ পড়ে, চোখের নিচে কালি জমে। আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনা লাঠিভর দিয়ে চলে তবুও মানুষটার পাশে আরেকজন মানুষ থাকে। তখন শরীরের চাহিদার চেয়ে মনের চাহিদা অনেক জরুরি।

মনের চাহিদার কারণেই মানুষ সম্পর্ক করে। দেহের চাহিদার জন্য মানুষ ভোগ করে। সম্পর্ক আর ভোগ আলাদা ব্যাপার। যে দেহ তোমার কাছেও আছে সেই দেহ অন্য মেয়ের কাছেও তো আছে ওই সেইম। তবুও তোমাকেই লাগবে মানে কী?

কারণ তোমাতেই সুখ। তোমাতেই তৃপ্তি। ভালবাসা থাকলে রোম্যাঞ্চ আসবেই। মনে রাখিও দুইটা লাইন “ভালোবাসি তাই শরীর চাই, শরীর চাই বলে ভালবাসি না”

মানুষ শরীরের জন্য ভালবাসেনা। একটা সময় পর শরীর সত্যিই খুব বেশি দরকার পড়েনা। তখন মানুষিক তৃপ্তির জন্য অন্য আরেকটা মানুষের থেকে যাওয়া খুব দরকার পড়ে।

ভালোবাসা সুন্দর পবিত্র তাকে তুমি তোমার অযোগ্যতা বা অজ্ঞতা দিয়ে বলতে বসোনা যে “সে শরীর চায় মন নয়”

এবার মূল যুক্তিতে আসি, ছেলেটি যদি বিয়ের আগেই শরীর চায় তবে তুমিই বা দেবে কেন? কেন দেবে? ওটাতো এখন দেবার কথা না। দিয়ে দেবার পর যুক্তি দাঁড় করানো বোকামি। দেবার আগেই বোঝা উচিৎ ছিলো। আর তার যদি সত্যিই বিয়ের ইচ্ছে থাকতো তবে সেতো জানেই বিয়ের পর কাছে পাচ্ছি তবে এখুনি কেন চাইবে? কারণ সে আসলে ভালবাসাকে অপমান করেছে আর ব্যবহার করেছে শব্দটাকে। তাই ওই গোটাকতক আলু টাইপ ছেলেকে দিয়ে সব ছেলেকে মেপে ফেলা আপুদের উপরেই আমার যদি অভিযোগ।

কেয়ামতের নমুনা জানি কিন্তু মানিনা!

এই দেশ নষ্ট করেছে কারা ?

যারা কলম ধরা শিখেছে,

তারাই দেশকে খাইছে।

কথাটা বোঝলেন নাকি আমার?

আমি পল্লীকবি, কবিতা বানাই।

কিন্তু আমার কবিতা তো কেউ শুনবে না।

কারন আমরা গরীব মানুষ ।

গরীব মানুষের কোনো দাম নেই।


এই যুগটা হইল কি জানেন ?


কেয়ামতের নমুনা, জানি কিন্তু মানিনা।


গুনাহগার দোযখী হবে সে কথাও তো শুনিনা।

গুন্ডাপান্ডা হারামখোর

তারা হইল দোজখ দিনদুপুরে মানুষ মারে

তারা হইল দুনিয়া

কেয়ামতের নমুনা জানি কিন্তু মানিনা


সরকারী চাকরি করে ,

বেতন ৫ হাজার ৫০ হাজার টাকা মাসে খরচ

দেখি তার বাকি টাকা কেমনে আসে

সে কথা  আর বলিনা

কেয়ামতের নমুনা জানি কিন্তু মানিনা


ডিজেল ভেজাল পেট্রোল ভেজাল অক্টেন ভেজাল

ভেজাল পদ্মা মেঘনা যমুনা

অর্থাৎ, কোম্পানি ভেজাল

কেয়ামতের নমুনা জানি কিন্তু মানিনা


ভেবে কয় রাধাপদ সরকার

মানুষ হওয়া কি ছিল দরকার

পশু হওয়া ছিল ভালা

আখেরাতের কাজ করিনা

অর্থাৎ পরকালের কাজ করিনা

কেয়ামতের নমুনা জানি কিন্তু মানিনা!

Teach “lack”.

If you present what you want,
The chances of your child becoming a “man” are very low.

With the amount of brain that a person has to use to quench hunger, he will be able to pass his life with what a person achieves.

Prepare your child in this way.
He gets the training on how he will do if you are not there.

Without letting him do anything, he made a choking,
He will suffer in your absence,
You will be blamed the most.

A lot of people talk about it and then they’ll learn everything.

A man is not suddenly a man, he is a man slowly!

Because when you’re not there
He has to walk the hard path of the world alone.
That training to walk alone will make him hard, you will also see a light feel! If you want to teach your child, everything is not available.

You don’t need to get everything…
Understand the value of what is earned through suffering…
Make him understand that life goes on without everything, running.

Human touch

নারীকে ছুঁতে পারা সাধনার বিষয়।

শরীর ছুঁয়েই যে-পুরুষ বলে নারীকে ছুঁয়েছি, সে নির্বোধ;

নারীর হৃদয় ছুঁয়েই তবে দেহ ছুঁতে হয়…

শরীর তো ধর্ষ/কও ছোঁয়।

পুরুষের ভালোবাসা পাওয়াও সাধনার বিষয়।

দেহদানের পরেই যে-নারী ব’লে পুরুষের ভালোবাসা পেয়েছি, সে নির্বোধ;

পুরুষের বিশ্বাস ছুঁয়েই দেহ ছুঁতে হয়…

শরীর তো পতিতাতে ও দেয়।

A feeling of rich country’s

“The wet country is wet with rain”
Just fry the body, do not fry the mind!
There, no one’s mind, just instinct.
The more the competition grows, the more the desire to enjoy can be awful! That is, you will not understand if you do not go to the developed countries!
There, no one listens to music, buys music.
There, he does not read books, he practices reading books.
There, knowledge is not practised, knowledge is practised.
Over there
If you ask someone what is the name of the flower? He can’t say. You must know the name of the flower or why!
With that knowledge, there is no possibility of repeated income! Knowledge is worthless there! There, just the development of willpower.
So there, the machine is worth more than the soul.

Create a free website or blog at WordPress.com.

Up ↑